কী হচ্ছে দেশের শিক্ষাঙ্গনে?
-1311102.jpg?v=1.1)
সম্প্রতি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিবিরের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ বাম সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আজ রবিবার রাকসুতে ভাংচুর করে ভবনে তালা লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসে তালা ভেঙে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করে।
এদিকে গতকাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাথে গ্রামবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আজ দুপুর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরেই চলে এই সংঘর্ষ। এতে চবির ১৫০০ জনের অধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গ্রামবাসীর আড়ালে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা ধারালো অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোপাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। অথচ কোনো পুলিশ, সেনাবাহিনী কিংবা বিজিবিকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। তাঁর ভাষায়, হাসপাতালে জায়গা নেই, সবাইকে মেরে ফেলছে।
এদিকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছাত্র-ছাত্রীদের আগামীকাল সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।
তিনি জানান, রোববার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আগামীকাল সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বর্জন করে সভাস্থলে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রাত ৮টার দিকে বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান এবং অবরুদ্ধ শিক্ষকেরা বের হয়ে আসেন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।