তীব্র ঠান্ডায় ৩ জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জার্নাল ডেস্ক জার্নাল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:০৭ PM

গত কয়েকদিন ধরেই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র ঠান্ডা। কয়েক জেল্যা চলছে শৈত্যপ্রবাহ। সূর্যের দেখা না মেলায় ঠান্ডায় জনজীবন বিপণ্ন। এরই মাঝে কয়েক জেলায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে রংপুর বিভাগের কয়েক জেলার ওপর দিয়েও বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এমন পরিস্থিতিতে রংপুর বিভাগের তিনটি জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে, শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে অন্যান্য কাজের জন্য উপস্থিত থাকবেন।

কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে ১০ দিন ধরে টানা শৈত্যপ্রবাহ চলছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার অনুমতি দেয়। এর প্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিন জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। 

দিনাজপুরে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ও ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলায় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে রোদের তেমন একটা তাপ নেই। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল খোলা রাখা হয়েছে। শিক্ষকরা স্কুলে যাবেন। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।’ 

পঞ্চগড়ের সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজজামান জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থায় জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শুধুমাত্র শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল আলম বলেন, ‘তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি বাড়লে, আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নেবো।’